ট্যাবলেট হলো ঔষধের একটি সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত ধরন। এটি সাধারণত কঠিন, গোল বা আয়তাকার আকারের হয় এবং মুখ দিয়ে গিলে খাওয়া হয়। ট্যাবলেটে সক্রিয় ঔষধি পদার্থ (active ingredient) এবং সহায়ক উপাদান (excipients) থাকে, যা শরীরে প্রবেশ করলে রোগ নিরাময়ে কার্যকর হয়।
ট্যাবলেটের ব্যবহার ও সুবিধা
- সহজ ব্যবহারযোগ্যতা:
- রোগী স্বাচ্ছন্দ্যে খেতে পারে।
- ডোজ মাপা সহজ।
- দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণ:
- ট্যাবলেট সাধারণত দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ভালো থাকে।
- নির্দিষ্ট ডোজ প্রদান:
- প্রতিটি ট্যাবলেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঔষধ থাকে।
- অতিরিক্ত বা কম গ্রহণের ঝুঁকি কমে।
ট্যাবলেটের ধরন
- সাধারণ ট্যাবলেট: দ্রুত কার্যকর, যেমন প্যারাসিটামল।
- চিবানো ট্যাবলেট: শিশুদের জন্য, যেমন ভিটামিন সি চিবানো ট্যাবলেট।
- সাবলিঙ্গুয়াল ট্যাবলেট: জিহ্বার নিচে রেখে দ্রবীভূত হয়, দ্রুত কার্যকর, যেমন নিত্রোগ্লিসারিন।
- লম্বা মুক্তি ট্যাবলেট (ER/SR): ধীরে ধীরে ঔষধ মুক্ত করে, যেমন ক্যালসিয়াম বা ডায়াবেটিসের ট্যাবলেট।
- মুখে দ্রবীভূত ট্যাবলেট (ODT): পানি ছাড়াই খাওয়া যায়, যেমন অ্যান্টিমিগ্রেইন ও অ্যান্টিহিস্টামিন।
- এন্টারিক-কোটেড ট্যাবলেট: পাকস্থলীর অ্যাসিড থেকে রক্ষা করে, অন্ত্রে পৌঁছে কার্যকর হয়, যেমন অ্যাসপিরিন ইন্টারিক-কোটেড।